
উৎসবের নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হবে ১ অক্টোবর (বুধবার), টোকিও মিডটাউন হিবিয়ার BASE Q ভেন্যুতে। এ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে প্রেস পাসের প্রয়োজন নেই, তবে অগ্রিম রেজিস্ট্রেশন আবশ্যক।
চলচ্চিত্র শিল্পের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যেই প্রতি বছর আয়োজন করা হয় টিআইএফএফকম (TIFFCOM)।
সময়: ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২৫
এখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযোজক, পরিবেশক, বিনিয়োগকারী ও কন্টেন্ট ক্রেতারা অংশ নেবেন।
একে বলা হয় এশিয়ার অন্যতম বড় চলচ্চিত্র মার্কেটপ্লেস।
বাংলাদেশের সিনেমাও এর আগে টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নিয়েছে। তরুণ নির্মাতাদের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাও এখানে প্রদর্শিত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের নির্মাতাদের কাছে এই উৎসব শুধু মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চই নয়, বরং আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে পৌঁছানোর বড় সুযোগ।
১৯৮৫ সালে যাত্রা শুরু করা এই উৎসবকে আজ এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র আসর হিসেবে ধরা হয়। প্রতিবছর এখানে শতাধিক সিনেমা প্রদর্শিত হয়, অংশ নেন বিশ্বখ্যাত পরিচালক, অভিনেতা, প্রযোজক ও সমালোচকরা।
চলচ্চিত্রের শিল্প, সংস্কৃতি ও বাণিজ্য—তিন দিক একত্রে মিলিয়েই টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব হয়ে উঠেছে এক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম।